বিটরুটের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
প্রিয় পাঠক বিটরুটের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনি হয়তো সঠিক তথ্য খু্ঁজে
পাচ্ছেন না,তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করবো। বিটরুটের
উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাইলে পুরো আর্টিকেল টি ভালো করে পড়ুন।
প্রিয় দর্শক আরো বিশেষ কিছু পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো যার মধ্যে বিটরুটের
উপকারিতা ও অপকারিতা উল্লেখযোগ্য, এরকম আরো তথ্য পেতে আর্টিকেল টি ভালো
করে পড়ার অনুরোধ রইলো।
ভূমিকা
বিটরুট এক ধরনের সবজ্বি যা মানুষের শরীরের জন্য উপকারি।তবে যাদের রক্ত চাপের
সমস্যা আছে তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই বিটরুটে ক্যালরি অনেক কম থাকে যার
ফলে মানুষের শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে, এবং তার মধ্যে কোন রকম ফ্যাট নেই তাই
বিটরুট মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারি।
বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা।
বিটরুট বিভিন্ন রোগ পতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং এতে থাকা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,হিতরোগ, ক্যানসার,ও চোখের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে।
প্রর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে শরীরের বিভিন্ন টক্সিন দুর করে।তকের যেকোন সমস্যা সমাধান
করে এই বিটরুট।
এটি তকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়,প্রচুর পরিমাণে শরীরের বিভিন্ন টক্সিন দুর করে।এবং চুলেরও উপকার করতে সাহায্য করে।নিয়মিত বিটরুট খেলে চোখ ও চোখের সাস্থ ভালো রাখে।লিভার কে ভালো রাখেএতে ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়,আয়রন খুব বেশি থাকার কারণে বিটরুট রক্ত শূন্যতা রোধ করে।রক্তের চাপ কমায়, এবং কিডনিতে পাথর হলে তা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
বিটরুট খাওয়ার অপকারিতা
যাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা আছে, যেমন রক্ত চাপের সমস্যা, যাদের রক্ত চাপের
সমস্যা আছে তাদের জন্য খতিকর হতে পারে, এই বিটরুট খাওয়ার কারনে আবার অনেকের
অ্যালার্জি হতে পারে। যার ফলে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।
বিটরুটে অনেক বেশি অ্যাক্সালেট থাকে তাই বিটরুট বেশি খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।
বিটরুেটর গুড়া পাউডার খাওয়ার নিয়ম
বিটরুটের গুড়া পাউডার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যায় এবং এটি সালাদ হিসাবে
খাওয়া যায়। বিটরুটের গুড়া এক চামচ পাওডার গোটা এক পিচ বিটরুটের সমান পুষ্টি
দিয়ে থাকে।বিটরুট পাওডার একটি স্বাস্থ্যকর খাবার যা অজন কমাতে সাহায্য করে।
গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা
বিটরুটে প্রচুর পরিমানে ফোলিন অ্যাসিড থাকে যা গর্ভের বাচ্চার স্পাইনাল কর্ড
গড়ে উঠার জন্য প্রচুর পরিমানে প্রয়োজন। বিটরুট ফালি করে বা শরবত বানিয়ে খেলে
স্পিনা বিফিডা বা এমন ধরনের অন্যান্ন প্রসব জতিলতা থেকে সুরক্ষা মিলবে।
বিটরুট কিভাবে খাবেন কেন খাবেন
বিটরুট আপনারা নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন,এতে অনেক উপকার পাবেন আর
খেতে অনেক সুসাদু হবে।বিটরুট কা্ঁচা ও রান্না করে খাওয়া যায়, কাঁচা খেলে অনেক
উপকার পাওয়া যায় বিটরুট এর সালাদ এবং জুস বানিয়ে খাওয়া যায়।
আরও পরুনঃ ড্রাগন ফলের বিশেষ কিছু উপকার রয়েছে
বিটরুট গোটা বিশ্বে সুগার ফুড হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিটরুট এমন একটা সবজি
যা কোনো না কোন ভাবে মানুষের শরীরের জন্য উপকার করে।ডক্টরের মতে জানা গেছে যে,
বিটরুট খাওয়ার ফলে প্রাচীন যুগ ধরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সমাধান হয়ে আসছ,
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,
আরো অন্যান্ন পুষ্টি গুণ।
সতর্কতা
যাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা আছে যেমন, রক্ত চাপের সমস্যা, যাদের রক্ত চাপের
সমস্যা আছে তাদের জন্য খতিকর হতে পারে এই বিটরুট , আবার অনেকের অ্যালার্জি হতে
পারে। যার ফলে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে। বিটরুটে অনেক
বেশি অ্যাক্সালেট থাকে তাই বিটরুট বেশি খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বিটরুট অতিরিক্ত খেলে এলার্জি বা বিটুরিয়া নামের রোগ হতে পারে, এই রোগ হলে
পেশাবের রং গোলাপি রঙের হয়ে যায় কিন্তু এটি মারাত্মক কিছু নয়, তবে চিন্তার বিষয়
হতে পারে। এবং বেশি খেলে পেট খারাপ হতে পারে গর্ভবতী অবস্থায় বিটরুট বেশি খেলে
মাথা ঘোরাতে পারে এবং শরীরের ক্লান্তি বেশি হতে পারে। এবং বিটরুট বেশি খেলে
ক্যালসিয়াম শোষনে বাধা দান করে।
বিটরুট দিয়ে রূপচর্চা
বিটরুটে অনেক ধরনের উপাদান রয়েছে যা ত্বকের সতেজতার জন্য সুরক্ষা দিয়ে থাকে। তকের সজিবতা দুর করতে বিটরুট খেতে পারেন। তকের তৈলাক্ত দুর করে এবং তকের ব্রন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এই বিটরুট খাওয়ার সাথে অনেক বেশি পানি খেতে হবে তাহলেই বিট শরীরের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।বিটরুট চাষ পদ্ধতি
জমি ভালো করে হাল মই করে নিতে হবে তার পূর্বেই জমিতে পচা গোবর জৈব সার ছিটিয়ে
দিতে হবে সমানভাবে। বিটরুট চাষ মূলত আমাদের দেশে শীত কালে বেশি হয়,বিটরুট চাষের
খরচ অনেক কম, প্রায় ১ বিঘা জমিতে বিটরুট চাষ করতে খরচ হয় ৮/১০ হাজার। বিটরুট
চাষ করতে হলে প্রথম থেকে অনেক পরিচর্যা করতে হয়।ফলন ভাল হলে ১ বিঘা জমিতে প্রাই
৫০/৬০ হাজার লাভ হয়।
এর রং হয় অনেকটা পালংশাকের মত, তবে রঙ্গের ভিন্নতা আছে। ভেতরের রং লালচে বা
বেগুনি রঙ্গের। এতে কীটনাশক বিষ দিতে হয়।যার ফলে খরচও অনেক কম হয় এবংফলন ও ভালো
হয়।
লেখকের মন্তব্য
পরিশেষে বলা যায় যে বিটরুট আমাদের শরীর সুস্থ থাকতে সাহায্য করে, ওজন কমাতে
সাহায্য করে, তকের সুরক্ষা দিয়ে থাকে এবং বিভিন্ন ঘাটতি পুরোন করে, এছাড়া আরো
অনেক উপকার হয় সে গুলো বিস্তারিত আলোচনা আর্টিকেলের মধ্যে বর্ণনা করা হয়েছে,
প্রিয় পাঠক , আর্টিকেল টি পড়ে যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে বন্ধু বা আত্মীয়
স্বজনের কাছে শেয়ার করে দিবেন। ধন্যবাদ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url